QRPayBD-র সাইন-আপ পেজ খুলবে

অটোমেটিক পেমেন্ট ভেরিফিকেশন বনাম হাতে TrxID মেলানো: তিনটা পদ্ধতির তুলনা

বাংলাদেশের অনলাইন শপে ওয়ালেট পেমেন্ট যাচাইয়ের মোটামুটি তিনটা পথ আছে: নিজে হাতে TrxID মেলানো, এসএমএস পড়ে অটো কনফার্মেশন, আর প্রোভাইডারের অফিসিয়াল গেটওয়ে বা মার্চেন্ট API। কোনোটাই সবার জন্য সেরা নয়। অর্ডার কম হলে হাতে মেলানো চলে, অর্ডার বাড়লে অটো পথ দরকার, আর অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থাকলে সেটাই সবচেয়ে সরাসরি।

তিন পদ্ধতির তুলনা এক নজরে

পেমেন্ট ভেরিফিকেশনের তিন পদ্ধতি (সাধারণ বর্ণনা, নির্দিষ্ট সেবাভেদে আলাদা হতে পারে)
বিষয়হাতে TrxID মেলানোএসএমএস-ভিত্তিক অটো কনফার্মেশনঅফিসিয়াল গেটওয়ে বা মার্চেন্ট API
পরিশ্রমপ্রতিটা অর্ডারে নিজে ফোন দেখতে হয়সেটআপের পর কম, মিল না হলে হাতে দেখতে হয়সেটআপের পর কম
গতিআপনি যখন দেখবেন তখন। রাতে বা ব্যস্ত সময়ে দেরিএসএমএস আসার পর সাধারণত দ্রুত, তবে এসএমএস দেরি করলে দেরিসিস্টেমের ভেতরেই কনফার্ম, সাধারণত দ্রুত
খরচআলাদা খরচ নেই, তবে সময় যায়সেবাভেদে আলাদা। QRPayBD এখন আর্লি অ্যাক্সেসে বিনামূল্যেপ্রোভাইডারকে জিজ্ঞেস করুন, আন্দাজ করবেন না
জালিয়াতি ঠেকানোভুল ও ফাঁকি এড়ানো কঠিন, বিশেষ করে ভিড়ের সময়আসল মেসেজের সঙ্গে ঠিক অঙ্ক ও রেফারেন্স বা TrxID মেলে, তবে এসএমএসের সেন্ডারের নাম জাল করা সম্ভবসাধারণত সবচেয়ে শক্ত, কারণ কনফার্মেশন সিস্টেম থেকেই আসে
সেটআপকিছু লাগে নাঅ্যান্ড্রয়েড ফোন, Collector অ্যাপ, আর স্টোরের সঙ্গে জোড়া (প্লাগইন বা API)মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট, আবেদন, প্রোভাইডারের ক্রেডেনশিয়াল
যার ওপর নির্ভর করেআপনার নিজের মনোযোগদোকানের ফোন চালু ও অনলাইনে থাকা, এসএমএস আসাপ্রোভাইডারের সিস্টেম ও শর্ত

পদ্ধতি ১: হাতে TrxID মেলানো

গ্রাহক সেন্ড মানি করে TrxID পাঠান, আপনি নিজের এসএমএস বা অ্যাপের হিস্ট্রিতে সেটা খুঁজে অঙ্ক ও সময় মেলান। এর সুবিধা হলো কিছুই সেটআপ করতে হয় না, আর অর্ডার কম হলে এটা ঠিকঠাক চলে। অসুবিধা হলো সময় যায়, রাতে বা ব্যস্ত সময়ে দেরি হয়, আর ভুল বা ফাঁকির সুযোগ থাকে। স্ক্রিনশটে ভরসা করলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।

হাতে যাচাইয়ের ধাপ ও ফাঁকি এড়ানোর চেকলিস্ট

পদ্ধতি ২: এসএমএস পড়ে অটো কনফার্মেশন

দোকানের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে একটা অ্যাপ পেমেন্টের এসএমএস পড়ে, অর্ডারের সঙ্গে মেলায় এবং মিললে অর্ডার পেইড মার্ক করে। QRPayBD এই পদ্ধতিতে কাজ করে। গ্রাহক ওয়ালেট অ্যাপের রেফারেন্স ঘরে অর্ডারের রেফারেন্স (QP-XXXX) লিখলে অর্ডার নিজে থেকে কনফার্ম হয়। ঘর না থাকলে পেমেন্ট পেজে TrxID লিখতে হয়। অঙ্ক ঠিক ঠিক না মিললে কনফার্ম হয় না। এটা টাকা নিজের কাছে রাখে না, ওয়ালেটে লগ ইন করে না, PIN বা OTP চায় না।

সীমাগুলো সোজা করে বলা দরকার। এটা অফিসিয়াল ওয়ালেট API নয়। দোকানের ফোন চালু আর অনলাইনে না থাকলে কনফার্মেশন অপেক্ষা করে। এসএমএস দেরিতে আসতে পারে, মিস হতে পারে বা অন্যভাবে লেখা হতে পারে, এমনকি জালও হতে পারে। তাই বড় অঙ্কের অর্ডারে ওয়ালেট অ্যাপে ব্যালান্স দেখে নিন। বিকাশ, নগদ ও উপায়ের মেসেজ রিডার আসল পেমেন্টে যাচাই করা হয়েছে, আর যে পেমেন্ট নিজে থেকে মেলে না, সেটা ড্যাশবোর্ডের Unmatched অংশ থেকে হাতে মেলানো যায়। রকেট ও ব্যাংক পরিকল্পনায়। চ্যাটে পাঠানোর মতো পেমেন্ট লিংকও এখনো নেই। একটা স্টোর, WooCommerce প্লাগইন বা ডেভেলপারের API দিয়ে অর্ডার তৈরি করতে হবে।

পদ্ধতি ৩: অফিসিয়াল গেটওয়ে বা মার্চেন্ট API

প্রোভাইডার নিজেই মার্চেন্টকে পেমেন্ট গ্রহণ ও কনফার্মেশনের একটা ব্যবস্থা দেয়। কনফার্মেশন সিস্টেমের ভেতর থেকে আসে বলে সাধারণত এটাই সবচেয়ে সরাসরি। কিন্তু সাধারণত মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের আবেদন লাগে, ইন্টিগ্রেশনের কাজ থাকে, আর ফি ও শর্ত প্রোভাইডারভেদে আলাদা। এসব নিজে প্রোভাইডারের কাছ থেকে জেনে নিন। এখানে কোনো সংখ্যা ধরে নেবেন না।

কার জন্য কোনটা?

পার্সোনাল বনাম মার্চেন্ট ওয়ালেট: কোনটা কখন

QRPayBD দিয়ে শুরু করতে চাইলে

অ্যাকাউন্ট খুলুন, ওয়ালেট নম্বর যোগ করুন, দোকানের ফোনে Collector অ্যাপ জুড়ুন, তারপর স্টোরের সঙ্গে যুক্ত করে একটা ছোট টেস্ট অর্ডার দিন। আর্লি অ্যাক্সেস চলাকালীন বিনামূল্যে।

বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন

WooCommerce-এ পার্সোনাল বিকাশ নম্বর: ধাপে ধাপে